Banner 728x90

নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো

 

নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো
নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার মারিয়া কোরিনা মাচাদো

গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য দীর্ঘদিনের সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে ভেনেজুয়েলার এই রাজনীতিককে এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বেলা তিনটায় নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়রগেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস সাংবাদিকদের সামনে তার নাম ঘোষণা করেন।

তিনি শুরুতেই বলেন, এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে "একজন সাহসী এবং নিবেদিতপ্রাণ শান্তির চ্যাম্পিয়নকে, একজন নারীকে যিনি অন্ধকারের মধ্যে গণতন্ত্রের শিখা জ্বলিয়ে রেখেছেন"।

নোবেল প্রাইজ কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আলফ্রেড নোবেলের উইলে উল্লেখিত শান্তি পুরস্কার প্রার্থী নির্বাচনের তিনটি শর্তই পূরণ করেছেন মাচাদো।

তিনি দেশের বিরোধী দলগুলোকে একত্রিত করেছেন, ভেনেজুয়েলার সমাজের সামরিকীকরণের বিরুদ্ধে তিনি কখনো ছাড় দেননি, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পক্ষে তিনি দৃঢ় সমর্থন দেখিয়েছেন, বলছে নোবেল কমিটি।

মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেছেন, এই বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন শুনে তিনি "অবাক ও হতবাক" হয়ে গেছেন।

এবার ডোনাল্ড ট্রাম্প পুরস্কার পেতে পারেন বলে গুঞ্জন উঠেছিলো। আবার ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই যে নোবেল শান্তি পুরস্কার চেয়েছেন সেটাও কোনো গোপন বিষয় নয়।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেই অল্প কয়েকজন বিশ্বনেতার একজন, যারা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন।

কিন্তু, ট্রাম্পকে হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

কারণ এই বছরের পুরস্কারের মনোনয়ন জানুয়ারিতেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখনই যখন তার দ্বিতীয় মেয়াদ ওভাল অফিসে শুরু হচ্ছিল।

তিনি দেশের বিরোধী দলগুলোকে একত্রিত করেছেন, ভেনেজুয়েলার সমাজের সামরিকীকরণের বিরুদ্ধে তিনি কখনো ছাড় দেননি, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পক্ষে তিনি দৃঢ় সমর্থন দেখিয়েছেন, বলছে নোবেল কমিটি।

মারিয়া কোরিনা মাচাদো বলেছেন, এই বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন শুনে তিনি "অবাক ও হতবাক" হয়ে গেছেন।

এবার ডোনাল্ড ট্রাম্প পুরস্কার পেতে পারেন বলে গুঞ্জন উঠেছিলো। আবার ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই যে নোবেল শান্তি পুরস্কার চেয়েছেন সেটাও কোনো গোপন বিষয় নয়।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেই অল্প কয়েকজন বিশ্বনেতার একজন, যারা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন।

কিন্তু, ট্রাম্পকে হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

কারণ এই বছরের পুরস্কারের মনোনয়ন জানুয়ারিতেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখনই যখন তার দ্বিতীয় মেয়াদ ওভাল অফিসে শুরু হচ্ছিল।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

Banner 468x60

Banner 320x50

Banner 300x250

Banner 728x90

Popunder

Social Bar

Native Banner