আওয়ামী লীগের ভোটাররা নির্বাচনে কীভাবে থাকবে, এই প্রশ্ন উঠছে কেন
আওয়ামী লীগের ভোটাররা নির্বাচনে কীভাবে থাকবে, এই প্রশ্ন উঠছে কেন
বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে না পারলে দলটির সমর্থকগোষ্ঠী বা ভোটাররা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে কি-না কিংবা পেলে কীভাবে পাবে- তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা অবশ্য বলছেন, কোনো একটি মতাদর্শের সবাইকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখলে সেই নির্বাচন 'অন্তর্ভুক্তিমূলক' হবে না এবং এ ধরনের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য দেশে নতুন সমস্যার সূচনা করবে।
আন্দোলনের মুখে গত বছর অগাস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত করে রেখেছে। পাশাপাশি দলটির নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক নৌকা স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।আরও পড়ুন:
একই সাথে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে 'মানবতাবিরোধী অপরাধের' অভিযোগের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দল হিসেবে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের দিক থেকে এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত দল হিসেবে নির্বাচনের অযোগ্য থেকে গেলে দলটির সমর্থক বা ভোটাররা কীভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে সেই প্রশ্ন এসেছে নির্বাচন কমিশনের এক মত বিনিময় সভাতেও।
সোমবার ওই সভাতে কমিশন এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও গত জুলাইতে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন অবশ্য এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন যে, তিনি আশা করেন দলটির সমর্থকগোষ্ঠী ভোটে অংশ নেবে।
অন্যদিকে বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দল হিসেবে তারা অন্যায় করলে তার বিচার হবে ও দেশের আইন সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নিবে- এমন
বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে না পারলে দলটির সমর্থকগোষ্ঠী বা ভোটাররা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে কি-না কিংবা পেলে কীভাবে পাবে- তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে কৌতূহল বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা অবশ্য বলছেন, কোনো একটি মতাদর্শের সবাইকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখলে সেই নির্বাচন 'অন্তর্ভুক্তিমূলক' হবে না এবং এ ধরনের নির্বাচন ভবিষ্যতের জন্য দেশে নতুন সমস্যার সূচনা করবে।
আন্দোলনের মুখে গত বছর অগাস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত করে রেখেছে। পাশাপাশি দলটির নিবন্ধন ও দলীয় প্রতীক নৌকা স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।আরও পড়ুন:
একই সাথে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে 'মানবতাবিরোধী অপরাধের' অভিযোগের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দল হিসেবে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সরকার ও নির্বাচন কমিশনের দিক থেকে এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত দল হিসেবে নির্বাচনের অযোগ্য থেকে গেলে দলটির সমর্থক বা ভোটাররা কীভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে সেই প্রশ্ন এসেছে নির্বাচন কমিশনের এক মত বিনিময় সভাতেও।
সোমবার ওই সভাতে কমিশন এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও গত জুলাইতে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন অবশ্য এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন যে, তিনি আশা করেন দলটির সমর্থকগোষ্ঠী ভোটে অংশ নেবে।
অন্যদিকে বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দল হিসেবে তারা অন্যায় করলে তার বিচার হবে ও দেশের আইন সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা এ বিষয়ে জনগণই সিদ্ধান্ত নিবে- এমন
